সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
দেবীদ্বার সবুজের বুকে হলুদ রাঙ্গা হাসি দেবীদ্বারে ‘নিজেরা করি’ সংস্থার উদ্যোগে ভূমিহীন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে করোনা ভ্যাকসিন গ্রহনে উদ্ভূদ্ধ করণ ও বিনামূল্যে নিবন্ধন করে যাচ্ছে দেবিদ্বারে মুজাক্কির হত্যাসহ সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদের কর্মবিরতি দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ উপ- নির্বাচনে নৌকা’র বিশাল ব্যাবধানে আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবীতে বিএনপি প্রার্থী তারেক মুন্সীর সংবাদ সম্মেলন নৌকার পক্ষে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের প্রচার- প্রচারনা নৌকার প্রার্থী কালামের মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সহযোগীতা ও পরামর্শ কামনা নেশার টাকার জন্য মুরাদনগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন দেবিদ্বারে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরী অন্তঃসত্বা; পিতৃত্বের দাবীতে আদালতে মামলা মুরাদনগরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিধবাকে ধর্ষন
এনজিওর কিস্তি আদায় জুনেও বন্ধ, জোর করলে লাইসেন্স বাতিল

এনজিওর কিস্তি আদায় জুনেও বন্ধ, জোর করলে লাইসেন্স বাতিল

অনলাইন ডেস্কঃ

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবে না- সরকারের এমন নির্দেশনা ছিল। কিন্তু অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার পর কিস্তি আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করে এনজিওগুলোও।

এ অবস্থায় চলতি জুন মাসেও রাজশাহীতে কিস্তি আদায় করতে পারবে না ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওগুলো। ঋণের কিস্তি আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. হামিদুল হক।
রোববার (৩১ মে) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলেছে অফিস-আদালত। ঘরবন্দি লোকজনও নেমেছেন কাজে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোও প্রস্তুতি নিচ্ছে কিস্তি আদায়ের। কোথাও কোথাও কিস্তি আদায়ে ঋণগ্রহীতাদের চাপ দেয়ারও অভিযোগ আসছে।
এরই প্রেক্ষিতে সোমবার (০১ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক লিখেছেন, ‘এনজিও থেকে গৃহীত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনো ঋণগ্রহীতাকে ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না।
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক হামিদুল হক বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় করা যাবে না। এ নিয়ে রেগুলেটরি অথরিটির নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কিস্তি আদায়ের প্রমাণ পেলে আইন ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কেউ স্বেচ্ছায় কিস্তি দিতে চাইলে সেক্ষেত্রে আপত্তি নেই।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির মনিটরিং সেলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, কোথাও জোর করে ঋণ আদায় করা হলে এনজিওর ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে আমাদের। প্রয়োজনে সেটাই করব আমরা।
তিনি বলেন, রাজশাহী থেকে দু’একটি অভিযোগ পেয়েছি; জোর করে ঋণ আদায় করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তা বন্ধ করেছি। বার বার সতর্ক করার পরও ঋণ আদায় করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সত্ব : সকালের বাংলাদেশ কতৃক সংরক্ষিত । 
Desing & Developed BY:মাহফুজ মিডিয়া লিমিটেড -01846-764625