শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
৯৯৯-এর জরুরি সেবা আরও ত্বরান্বিত করতে বগুড়া জেলা পুলিশে সংযোজন হলো নতুন তিনটি গাড়ি দুই শিশুকে বলাৎকার: ২ মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার দিনাজপুরে নেশার টাকা না পেয়ে ২২ দিনের সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা দেবিদ্বারে ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭০০ কৃষকের মাঝে কৃষি অধিদপ্তরের বিনামূল্যে সার-বীজ প্রদান জুমার খুতবার আগে সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য দিতে নির্দেশনা কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেবিদ্বারে একই রাতে দুই বাড়িতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি, এলাকায় আতংক শীতে করোনা থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায় কোমরে ব্যথা যে কারণে হয়………….ডা. . সুমন চন্দ্র দত্ত । অর্থোডেপিকস ও কনসালটেন্ট ও ট্রমা মেডিসিন. বিশেষজ্ঞ কুমিল্লায় একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আসছে আরও ১১ লাখ মানুষ

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আসছে আরও ১১ লাখ মানুষ

স.বাংলাদেশ ডেস্ক :

আরও ১১ লাখ পাঁচ হাজার মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। এরমধ্যে নতুন করে পাঁচ লাখ বয়স্ক ভাতা, সাড়ে তিন লাখ বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতা ও দুই লাখ ৫৫ হাজার প্রতিবন্ধী ভাতা পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য জানান। আগামী অর্থবছরে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন মিলে জাতীয় বাজেটের আকার পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে মোট ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা বাজেটের ১৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিডিপির ৩ দশমিক ০১ শতাংশ। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৮১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা।

‘জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলপত্র, ২০১৫’ এর আলোকে করোনা পরিস্থিতি থেকে দরিদ্র অসহায় মানুষের অবস্থা উত্তরণের জন্য বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দরিদ্র জনগণের অবস্থা উন্নয়নে আমরা সামাজিক নিরাপত্তা খাতে প্রতি বছর বরাদ্দ বৃদ্ধি করে চলছি। বর্তমানে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে এসেছি।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাধারণ ছুটি ঘোষণা, লকডাউন, শিল্প কারখানা ও ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের আয় কমে দারিদ্র নিরাপত্তায় আমাদের অর্জন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার চলতি অর্থবছরে দরিদ্র কর্মজীবী মানুয়ের কষ্ট লাঘবে ৫০ লাখ মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আওতা বাড়ানোর প্রস্তাব করছি। করোনা মহামারির কারণে সর্বাধিক দারিদ্রপ্রবণ ১০০ উপজেলায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী সব দরিদ্র, প্রবীণ ব্যক্তিকে বয়স্ক ভাতার আওতায় আনা হবে। এতে করে পাঁচ লাখ মানুষ নতুন উপকারভোগীতে যোগ হবে এবং এ খাতে ৩০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয়া হবে।

‘করোনা মহামারির কারণে সর্বাধিক দারিদ্রপ্রবণ ১০০ উপজেলায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী সব বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা নারীকে ভাতার আওতায় আনা হবে। এতে করে সাড়ে তিন লাখ নতুন উপকারভোগী যোগ হবে এবং এ খাতে ২১০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয়া হবে।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সর্বশেষ প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ অনুযায়ী দুই লাখ ৫৫ হাজার নতুন ভাতাভোগী যুক্ত করে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগীর সংখ্যা ১৮ লাখে বৃদ্ধি করা হবে। এ বাবদ ২২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এছাড়াও দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা, কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা, ভিজিডি কার্যক্রম, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা, অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ ভাতা, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা উপবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ, ক্যান্সার, কিডনি ও লিভার সিরোসিস রোগীদের সহায়তা, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সত্ব : সকালের বাংলাদেশ কতৃক সংরক্ষিত । 
Desing & Developed BY:মাহফুজ মিডিয়া লিমিটেড -01846-764625