শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
৯৯৯-এর জরুরি সেবা আরও ত্বরান্বিত করতে বগুড়া জেলা পুলিশে সংযোজন হলো নতুন তিনটি গাড়ি দুই শিশুকে বলাৎকার: ২ মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার দিনাজপুরে নেশার টাকা না পেয়ে ২২ দিনের সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা দেবিদ্বারে ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭০০ কৃষকের মাঝে কৃষি অধিদপ্তরের বিনামূল্যে সার-বীজ প্রদান জুমার খুতবার আগে সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য দিতে নির্দেশনা কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেবিদ্বারে একই রাতে দুই বাড়িতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি, এলাকায় আতংক শীতে করোনা থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায় কোমরে ব্যথা যে কারণে হয়………….ডা. . সুমন চন্দ্র দত্ত । অর্থোডেপিকস ও কনসালটেন্ট ও ট্রমা মেডিসিন. বিশেষজ্ঞ কুমিল্লায় একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
ফটোল্যাব ব্যবহারকারীর তথ্য চলে যাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থায়

ফটোল্যাব ব্যবহারকারীর তথ্য চলে যাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থায়

অনলাইন ডেস্কঃ

ইন্টারনেট দুনিয়ার নতুন ট্রেন্ড ‘ফটোল্যাব’। স্মার্টোফোনভিত্তিক অ্যাপটিতে ছবি আপলোড করলেই সেটিকে আরও আকর্ষণীয় করে ব্যবহারকারীকে দেয়া হচ্ছে। কিন্ত ব্যবহারকারীরা যে বিপদ ডেকে আনছেন, সেটা কি লক্ষ্য করেছেন কখনো?। এবিষয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন ছবি পাওয়ার বিনিময়ে যে তথ্য অ্যাপটির সঙ্গে গ্রাহকরা শেয়ার করছেন, আশঙ্কা রয়েছে সেগুলো চলে যাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর কাছে মানুষের মুখমণ্ডল চিনতে পারা (ফেস রিকগনিশন) এবং বিশ্লেষণী সফটওয়্যার বিক্রি করতো টেক জায়ান্ট আইবিএম। কিন্তু সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে এসব প্রযুক্তি আর বিক্রি করবে না বলে মার্কিন কংগ্রেসকে এক চিঠিতে সাফ জানিয়ে দেয় আইবিএমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরভিন্দ কৃষ্ণা। আর ঠিক এখানেই জন্ম নেয় ফটোল্যাব ট্রেন্ড।

প্রযুক্তিভিত্তিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জ বলছে, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় লিনারক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এবং তাদের মালিকানায় ১৪টি অ্যাপ আছে বর্তমানে। এগুলোর বেশির ভাগই ছবি সংক্রান্ত এবং ফটোল্যাব অ্যাপটিও ২০১০ সালেই তৈরি হয়। এত বছর অ্যাপটি আলোচনায় না এলেও আইবিএম ফেস রিকগনিশন বন্ধ করার কিছুদিনের মধ্যেই দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় অ্যাপটি। আর প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের সন্দেহ ঠিক এখানেই।

সাইবার-৭১ এর পরিচালক আব্দুল্লাহ আল জাবের হৃদয় বলেন, প্রযুক্তি জগতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা যদি দেখেন, তাহলে দেখা যাবে, আগে থেকেই অস্তিত্ব আছে এমন একটি প্ল্যাটফর্মকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করেছে তারা। প্রতিষ্ঠার পর তেমন পরিচিতি না পেলেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অন্তর্ভুক্তিতে রাতারাতি আলোড়ন তৈরি করে প্ল্যাটফর্মগুলো। একই কাজ ফটোল্যাবের সঙ্গে করা হয়েছে। খেয়াল করলে দেখবেন অনেকদিন পর গেল ১৫ জুন অ্যাপটিকে হালনাগাদ করা হয়েছে। এটাকে ‘ট্রেন্ড’ হিসেবে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যে বিপুল পরিমাণ তথ্য তাদের সার্ভারে জমা হচ্ছে, সেগুলো ওদের কাছে ‘গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ’।

আরেক সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানভীর হাসান জোহা বলেন, একটা উদাহরণ দিই। অনেকেই আছেন যারা ব্যাংকের একাউন্ট নম্বর, এটিএম কার্ড নম্বর এমনকি পিন কোড সহজে মনে রাখার জন্য মোবাইলে সেভ করে রাখেন। এখন এসব তথ্য অন্য কারও হাতে গেলে কী হতে পারে একবার ভাবুন। বিভিন্ন সময়ে আমরা এ ধরনের স্ক্যামের খবর পাই। সেগুলো কীভাবে সম্ভব হয়? এগুলোও অন্যতম কারণ।

সংবাদটি ভালো লাগলে সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সত্ব : সকালের বাংলাদেশ কতৃক সংরক্ষিত । 
Desing & Developed BY:মাহফুজ মিডিয়া লিমিটেড -01846-764625