শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
৯৯৯-এর জরুরি সেবা আরও ত্বরান্বিত করতে বগুড়া জেলা পুলিশে সংযোজন হলো নতুন তিনটি গাড়ি দুই শিশুকে বলাৎকার: ২ মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার দিনাজপুরে নেশার টাকা না পেয়ে ২২ দিনের সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা দেবিদ্বারে ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭০০ কৃষকের মাঝে কৃষি অধিদপ্তরের বিনামূল্যে সার-বীজ প্রদান জুমার খুতবার আগে সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য দিতে নির্দেশনা কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেবিদ্বারে একই রাতে দুই বাড়িতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি, এলাকায় আতংক শীতে করোনা থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায় কোমরে ব্যথা যে কারণে হয়………….ডা. . সুমন চন্দ্র দত্ত । অর্থোডেপিকস ও কনসালটেন্ট ও ট্রমা মেডিসিন. বিশেষজ্ঞ কুমিল্লায় একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
যখন আপনার প্রথম ডায়াবেটিস ধরা পড়বে তখন আপনি কী করতে পারবেন ……ডা. . সুমন চন্দ্র দত্ত ।

যখন আপনার প্রথম ডায়াবেটিস ধরা পড়বে তখন আপনি কী করতে পারবেন ……ডা. . সুমন চন্দ্র দত্ত ।

1. আপনার পরীক্ষাগুলির উপর নজর রাখুন:

ডাক্তাররা সাধারণ নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত ব্লাড সুগার নজর রাখেন। আপনার ডাক্তারের নির্দেশিত কোনও পরীক্ষা বাদ দেবেন না। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে সুগারের পরীক্ষাও আছে; রক্তে হিমোগ্লোবিন/কোলেস্টেরল, রক্তচাপ, সুগারের পরীক্ষা করার জন্য প্রস্রাব/ইউরিয়ার পরীক্ষা, প্রস্রাবে কেটোন এবং অ্যালবামিনের পরীক্ষা, চোখ, পা, স্নায়ু এবং হার্টের পরীক্ষা এবং খাবার এবং ওজনের মূল্যায়ন। এইসব পরীক্ষা থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে, যা আপনাকে সুস্থা থাকতে সাহায্য করবে, যেমন আপনার প্রস্রাবের রঙ বর্ণহীন থেকে ফ্যাকাশে থাকা ও কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে তা জানা।
2. ওষুধের নিয়ম অনুসরণ করুন:

ডায়াবেটিস সর্বদা শরীর তন্ত্র সম্পর্কিত এবং প্রতিটি ‘শরীর’ ভিন্ন। অন্যেরা যে ওষুধ বা ডোজ নেন সেই একই ওষুধ বা ডোজ আপনার শরীরে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারে। এই কারণে ডায়াবেটিসের জন্য একটি অনন্য ওষুধের নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। আপনার পরীক্ষাগুলির ভিত্তিতে, আপনার ডাক্তার ওষুধ ও ডোজের নির্দেশ দেবেন। আপনাকে জানানো হবে কীভাবে এবং কখন ওষুধ নিতে হবে। ডোজের কার্যকলাপ রক্তে শর্করার এবং ইনসুলিনের ক্ষরণের উপর নির্ভরশীল এবং এটি সঠিক হতে কিছুটা সময় নেয়। “T2DM একটি ‘বিশেষ’ বিভাগের মধ্যে পড়ে। এখন ডায়াবেটিসের ওষুধের 13টি বিভাগ আছে,’’ বলে ডঃ রবিকিরণ জানান। T পর্যন্ত নিয়ম অনুসরণ করুন এবং ধৈর্য রাখুন।
3. ঠিক মতো খান:

ওষুধ ও পরীক্ষা ডাক্তারের হাতে থাকলেও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আপনার হাতে। ভাজা, মশলাদার, মিষ্টি এবং অতিরিক্ত নুন থাকা খাবার এড়িয়ে যান, এছাড়াও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাদ্যের পাশাপাশি মিষ্টি ফল ও দুধ এড়ান। প্রোটিন, সাদা ও চর্বিহীন মাংস ও মিলেট ও ফাইবারের মতো জটিল কার্বোহাইড্রেট সম্পন্ন খাবার খাওয়ার দিকে নজর দিন। আপনার কোলেস্টেরল ও লিভার ঠিক রাখতে খাবারের ভূমিকা অনেক বেশি। এমআরসি মেডিক্যাল সেন্টারস ডায়াবেটিক অ্যান্ড হার্ট উইং এর মতে, প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেলে ও ওষুধ খেলে আপনার অসুস্থতা অনেক দিন ধরে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
কী খাবেন:

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরকে আর শস্য এবং সিরিয়াল দিতে বলা হয় না অথবা চরম খাদ্য নিয়ন্ত্রণে থাকতে বলা হয়। আপনার খাবারে নিম্নলিখিত জিনিস থাকতে হবে:

50-60 শতাংশ কার্বোহাইড্রেট: এটি ফল, সবজি বা সিরিয়াল (খুব বেশি মিষ্টি না হলে, যে কোনও ফল খান কারণ এতে থাকে অত্যাবশ্যক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট)।
20-25 শতাংশ প্রোটিন: কলাইয়েরডাল, শিম জাতীয় সবজি বা চর্বিহীন মাংসতে প্রোটিন থাকে।
10-15 শতাংশ ফ্যাট: বাদাম, মাছ তেল (MUFA এবং PUFA এর মানের জন্য বাদাম তেল, তিলের তেল, সূর্যমুখী তেল, কড-লিভার তেল)। বিভিন্ন ধরনের খাবার থেকে মাসে হাফ লিটার তেল খাওয়া বাঞ্ছনীয়।
স্থানীয় খাবার খান তবে বেশি নয় মাঝারি পরিমাণে খান।

4. নিয়মিত হোন:

সাধারণত তিন মাস অন্তর ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করানোর জন্য বলা হয়। আপনার ডাক্তারের কথা মতো দিনে নিয়মিত পরীক্ষা করান।
5. ব্যায়াম ও জীবনযাত্রা:

ব্যায়াম আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং এর জন্য আপনি ভালোবোধ করবেন। বেশি ব্যায়াম মানে বেশি শর্করা নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং বিপাকীয় শর্করা এবং রক্তে এর মাত্রা কমানোর জন্য এটি আবশ্যক। “প্রতিদিন 20-30 মিনি হাঁটা, জিমে যাওয়া অথবা যে কোনও ব্যায়াম করলে T2DM ভালো নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে” বলে জানিয়েছেন ডঃ রবিকিরণ। চেন্নাইয়ের ডায়াবেটিস কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট অনুসারে, শরীর সুস্থ রাখতে খাবারের পাশাপাশি ব্যায়াম করাও গুরুত্বপূর্ণ। ফর্মূলা ব্যবহার করে আপনার শরীর স্বাস্থ্যকর কিনা দেখুন: (সেমিতে উচ্চতা – 100) 0.9 দিয়ে গুণ; তারপর প্রতিদিন নিজের ওজন দেখুন এবং আপনার ব্যায়ামের নিয়ম পর্যবেক্ষণ করুন। ওজন কমানোর জন্য আপনাকে যা ক্যালোরি জমে তার থেকে বেশি পোড়াতে হবে।
6. শান্ত থাকুন এবং ঘুমান:

উদ্বেগ ব্লাড সুগার বাড়ায়, ইনসুলিন প্রতিরোধের দিকে নিয়ে যায় ফলে আপনার ডায়াবেটিস আরও বেড়ে যায়। একটি বা দুটি ডি-স্ট্রেসার ব্যবহার করুন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে ব্লাড সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে এবং ব্লাড সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে ঘুম হবে না। ডাক্তারের পরামর্শ এবং বিশ্রাম নিয়ে চক্রভেদ করুন। ঘুমের সঙ্গে আপোস করবেন না এবং প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান।………ডা. . সুমন চন্দ্র দত্ত । এমবিবিএস, বিসি এস স্বাস্থ্য সি. সিডি ডায়াবেটিকস বারডেম হাসপাতাল ঢাকা। ডি অর্থো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ব বিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) আই এম ও অর্থোপেডিকস বিভাগ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, অর্থোডেপিকস ও কনসালটেন্ট ও ট্রমা মেডিসিন. বিশেষজ্ঞ সার্জন, হাড়জোড়া, হাড়ভাঙা, বাত ব্যাথা, হাটু ব্যাথা, হাড়ক্ষয়, ঘাড় ব্যাথা, কোমড় ব্যাথা, মেরুদন্ড, ব্যাথা, ও ডায়াবেটিকস বিশেষজ্ঞ । রেজি নং এ ৫৯০৫১ রোগী দেখার সময়- রবিবার
২টা থেকে বিকাল.৫ টা…….শুক্রবার সারাদিন । চেম্বার : আগমন মেডিকেল সেন্টার, দেবিদ্বার সুপার মার্কেট ২য় তলা সরকারী কলেজ রোড, দেবিদ্বার।..01765045085.

সংবাদটি ভালো লাগলে সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সত্ব : সকালের বাংলাদেশ কতৃক সংরক্ষিত । 
Desing & Developed BY:মাহফুজ মিডিয়া লিমিটেড -01846-764625